Homeসারাদেশউত্তরা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ

উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ

উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ

পাসপোর্ট গ্রহীতাদের হয়রানি, ঘুষ গ্রহণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।

দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উত্তর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথি ও অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করছেন কর্মকর্তারা।

পাসপোর্ট সেবায় ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ গ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা এবং সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া ঘুষের বিনিময়ে দ্রুত পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়া এবং অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়ম ও নিয়মবহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে দুদক।

আবেদন থেকে বায়োমেট্রিক—বিভিন্ন ধাপে অভিযোগ

অভিযোগ অনুযায়ী, পাসপোর্টের আবেদন, তথ্য সংশোধন, ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক দেওয়াসহ বিভিন্ন ধাপে গ্রহীতাদের নানা অজুহাতে হয়রানি করা হয়।

কিছু ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং অর্থের বিনিময়ে দ্রুত সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের বাস্তবতা যাচাই করতেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

গ্রহীতাদের কাছ থেকেও তথ্য নিচ্ছে দুদক

অভিযানের সময় দুদকের কর্মকর্তারা পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছেন। একই সঙ্গে সেবা নিতে আসা গ্রহীতাদের কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেনের তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা

দুদক সূত্র জানিয়েছে, অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কমিশনের বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিললে বিষয়টি আরও অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হতে পারে।

এনফোর্সমেন্ট অভিযান কীভাবে কাজ করে?

দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান সাধারণত নির্দিষ্ট অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।

অভিযানে সংগৃহীত নথি ও তথ্য পর্যালোচনার পর পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হয়। এ কারণে অভিযানের সময় ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে না দেখে তদন্ত বা যাচাইয়ের ফলাফলের অপেক্ষা করা হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ